ফুলকপি মূলত শীতকালীন সবজি। শীতের সময়ে এই সবজি চাষ করে থাকেন জেলার বহু কৃষক। তবে লাভের আশায় চাষ করা এই সবজি চাষে ক্ষতি হয় প্রচুর। সঠিক সময়ে সঠিক ভাবে চাষ করতে না পারলে রোগ পোকার আক্রমণ ও নানা সমস্যায় এই চাষে ক্ষতি হয়ে থাকে।

পোকার আক্রমণ হওয়া এই ফুলকপি বাজার জাত করলে সঠিক মুনাফা পাওয়া যায় না। তবে এর থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। খেয়াল রাখতে হয় কিছু বিষয়ের দিকে।
সর্বদা তাজা ফুলকপি কিনুন এবং যেসব ফুলকপিতে দাগ বা ক্ষতির লক্ষণ দেখা যায় সেগুলো এড়িয়ে চলুন। ফুলকপি ছোট ছোট করে কেটে ছড়িয়ে দিন যাতে পোকামাকড় আছে কিনা তা পরীক্ষা করা যায়। একটি পাত্রে জল ভরে, লবণ দিন এবং ফুলকপিগুলো এক বা দুই মিনিটের জন্য ফুটিয়ে নিন। এতে পোকামাকড় মারা যায় এবং দূর হয়, একই সাথে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশও কম থাকে।

আপনি ভিনিগারের জল দিয়েও ফুলকপি পরিষ্কার করতে পারেন। ভিনিগারে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকে, যা জীবাণু এবং দুর্গন্ধ দূর করতে পারে।

ফুলকপি এবং বাঁধাকপির পাতার ভিতরে পোকামাকড় লুকিয়ে থাকে। ভাল করে ধোয়ার পরেও পোকামাকড় যেতে চায় না। এটি করার জন্য, বাঁধাকপি ছোট ছোট টুকরো করে কাটা গুরুত্বপূর্ণ। এবার, একটি বড় পাত্র গরম জল দিয়ে ভর্তি করুন এবং তাতে লবণ যোগ করুন।


