হাসপাতালের শৌচালয়ে করোনা আক্রান্তের সঙ্গে উদ্দাম যৌনতা নার্সের! মুহূর্তে ভাইরাল ছবি

ঘটনাটি ঘটেছে, জাকার্তার ওয়াইসিমা অ্যাটলেট কিমাওরান হাসপাতালে। মারণ ভাইরাসের তোয়াক্কা করে শৌচালয়ে যৌনক্রিয়া নার্সের।

16

বছরশেষেও করোনা (Corona Virus) আতঙ্ক পিছু ছাড়েনি। চরিত্র বদলে নতুন আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। কিন্তু শরীরের উষ্ণতা কি আর মারণ ভাইরাসের তোয়াক্কা করে? যৌনতার অমোঘ আকর্ষণ মৃত্যুভয়কেও ছাপিয়ে যায়। এমনই ঘটনা ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়। হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের শৌচালয়ে করোনা (COVID-19) আক্রান্ত এক রোগীর সঙ্গে দিব্যি রতিসুখ উপভোগ করতেন নার্স। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে, জাকার্তার ওয়াইসিমা অ্যাটলেট কিমাওরান হাসপাতালে। করোনা প্রকোপ শুরু হওয়ার সময় থেকেই হাসপাতালে কোভিড রোগীদের রাখা হচ্ছে আইসোলেশন ওয়ার্ডে। শোনা গিয়েছে, রোগীর সঙ্গে নিয়মিত হাসপাতালের শৌচালয়ে যৌনক্রিয়ায় মাততেন ওই নার্স। দু’জনের মধ্যে এ নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে কথাও হত। 

কার কোন যৌনাঙ্গ সুন্দর, তারও প্রশংসাপর্ব চলত দীর্ঘক্ষণের এই চ্যাটে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) চ্যাটের স্ক্রিনশটগুলি। যাতে ইন্দোনেশিয়ার ভাষায় এই উষ্ণ কথোপকথন চালাতেন দু’জন। একটি ছবিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে নার্সের PPE সরঞ্জাম শৌচালয়ের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। আর দেখা যাচ্ছে কারও উন্মুক্ত ঊরু।

ছবি ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশটের হদিশ পেয়েই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নার্সকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শোনা গিয়েছে, রোগীর সঙ্গে সঙ্গমের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ওই নার্স। এরপরই সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। ইন্দোনেশিয়ার অশ্লীলতা সম্পর্কিত আইন বেশ কড়া। সেই ভিত্তিতেই দু’জকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে খবর। আপাতত, দু’জনকেই আলাদা আলাদা ভাবে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। রোগী ও নার্সের করোনা পরীক্ষাও করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রোগী এখনও কোভিড পজিটিভ। কিন্তু যৌন সম্পর্ক স্থাপনের পরও নার্সের কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবুও তাকে আপাতত বেশ কিছুদিন আইসোলেশনেই থাকতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here