চোখ রাঙাচ্ছে ‘আমফান’, সতর্কবার্তা নবান্নের, সেচ দফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে নজরদারি

19

চরম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে রাজ্যের দিকে এগোচ্ছে আমফান। আশঙ্কা, এই রাজ্যের সাগরদ্বীপ ও বাংলাদেশের হাতিয়ার মধ্যে এই ঝড় আছড়ে পড়বে। আছড়ে পড়ার সময় ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ১৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। যা ক্রমেই উস্কে দিচ্ছে ভয়ানক আয়লার স্মৃতি। ‘আমফান’ নিয়ে সতর্ক নবান্ন। দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাগুলিকে সতর্ক করল নবান্ন। প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী মজুতের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তৈরি থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে। নবান্ন, সেচ দফতরের কন্ট্রোল রুম থেকে চলছে নজরদারি।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.uvcwebapp.mastiprime&hl=en

মূলত রাজ্যের দিকে আমফানের গতিমূখ হওয়ায় আশঙ্কায় ভূগছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগণা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলি জেলায় ঝড়ের ভয়ানক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওড়িশার ১০টি জেলায়ও রয়েছে বিপদের সংকেত।

২০ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা। মঙ্গলবার দুপুর থেকে কলকাতা সহ ৭ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলায় এই হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মাঝামাঝি এই ঘূর্ণিঝড় স্থলভাগের প্রবেশ করতে পারে। তার আগে এই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ সমুদ্রের মধ্যে ২২০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। এই মুহূর্তে ঘূর্ণিঝড় দীঘা থেকে ৯৮০ কিলোমিটার এবং পারাদ্বীপ থেকে ৮২০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আমফান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here