ফেব্রুয়ারিতেই উন্মুক্ত হতে চলেছে বিশ্বের সবথেকে বড়ো মন্দির ‘বেদিক প্লানেটারিয়াম’-র

90

ওয়েবডেস্কঃ ফেব্রুয়ারীতেই জনসাধারণের জন্য দ্বার খুলে দেওয়া হচ্ছে ‘বেদিক প্লানেটারিয়াম’ (‘Vedic Planetarium’)-র। মায়াপুরে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবথকে বড় মন্দির । ২০২২ সালে এই মন্দিরের সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে তাঁর আগেই ভক্তদের উদ্দ্যেশে খুলে দেওয়া হচ্ছে এই মন্দির।

ইস্কনের হেডকোয়ার্টার মায়াপুরে। তাই মায়াপুর জুড়ে রয়েছে কৃষ্ণ বন্দনার বহু স্থান। বিভিন্ন জায়গায় শোনা যায় শ্রীকৃষ্ণের ভজন। আর সেই মায়াপুরেই এবার তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সবথেকে বড় মন্দির। একসঙ্গে বহু ভক্ত প্রার্থনা করতে পারবেন সেখানে। ফেব্রুয়ারিতেই সাধারণের জন্য খুলে যাবে সেই মন্দির। চলছে শেষ পর্যায়ের কাজ। এক লক্ষ স্কোয়্যার ফুট জুড়ে তৈরি হচ্ছে সেই মন্দির। ‘বেদিক প্লানেটারিয়াম’ নামে ওই মন্দির শুধুমাত্র বিশ্বের সবথেকে বড় নয়, এটি হয়ে উঠবে যেন আধুনিককালের এক প্রাসাদ।

বিশাল বড় বড় ঝাড়বাতি দিয়ে সাজানো হবে এই মন্দির। প্রার্থনার লাইভ সম্প্রচার হবে গোটা বিশ্ব জুড়ে। আধুনিকতম প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রার্থনার সম্প্রচার করা হবে।প্রায় বছর দশেক আগে এই মন্দির তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত দু’কোটি কিলোগ্রাম সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে এই মন্দির তৈরির কাজে। প্রত্যেকটি ফ্লোরের আকার হবে এক লক্ষ স্কোয়্যার ফুট। আর এই মন্দিরের গম্বুজ হবে বিশ্বের সবথেকে বড় আর একেবারে আলাদা।

৩৮০ ফুট উঁচু সেই মন্দিরে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ নীল রঙের বলিভিয়ান মার্বেল। এতে রয়েছে পাশ্চাত্য স্থাপত্যের প্রভাব। বেদের সংস্কৃতি গোটা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই মন্দির তৈরি করা হয়েছে।মন্দির কর্তৃপক্ষের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সদাভূজ দাস বলেন, ‘প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মিশ্রণে এই মন্দির তৈরি হচ্ছে। ভিয়েতনাম থেকে মার্বেল আনা হয়েছে। কিছু মার্বেল ভারতেও তৈরি হয়েছে।’ ২০ মিটার লম্বা ঝাড়বাতি বানানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এই মন্দিরে একসঙ্গে ১০,০০০ ভক্ত উপাসনা করতে পারবেন। গোটা বিশ্বের মানুষকে মায়াপুরে নিয়ে আসার জন্যই এমন মন্দির বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষের আর এক সদস্য সুব্রত দাস। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য খোলা থাকবে মন্দিরের দরজা।হিসেব বলছে, প্রত্যেক বছর ৭০ লক্ষ মানুষ আসেন মায়াপুরে। সম্প্রতি মায়াপুরকে ‘হেরিটেজ’ শহর ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। খুব শীঘ্রই যে এই মন্দির মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠবে তা বোঝাই যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here