নদীর ধারে দেহ ছুড়ে নয়, এই প্রথম বাংলাদেশের মৃত যৌনকর্মী পেলেন ধর্মীয় সম্মানে কবর

স্থানীয় পুলিশ কর্তা আশিকুর রহমনের কথায়, 'ইমাম প্রথমে রাজি হননি৷ কিন্তু আমরা অনেক অনুরোধ করি৷ বশেষে উনি রাজি হন৷'

72

যৌন আকঙ্ক্ষা মেটাতে অনেকেই যৌনকর্মীদের কাছে যান৷ সমাজই তৈরি করেছে৷ কিন্তু সেই যৌনকর্মীদেরই মৃত্যুর পর জোটে না ধর্মীয় আচার৷ বাংলাদেশে এতদিন এই রীতিই ছিল৷ যৌনকর্মীদের দেহ ফেলে দেওয়া হত নদীর ধারে কিংবা কুকুরের মতো মাটি খুঁড়ে কোনও ভাবে কবর দিয়ে দেওয়া হত৷ এ বার নিয়ম বদলালো বাংলাদেশে৷

 বাংলাদেশের দৌলতদিয়ারে এই প্রথম একজন যৌনকর্মীকে মৃত্যুর পর ইসলামিক রীতি মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হচ্ছে৷ মুসলিম প্রধান বাংলাদেশে যৌন ব্যবসা আইনি৷ দৌলতদিয়ার হল বাংলদেশের সবচেয়ে বড় রেডলাইট এলাকা৷ কিন্তু যৌনকর্মীদের মর্মান্তিক পরিণতিই হয় বাংলাদেশে৷

বাংলাদেশের দৌলতদিয়ারে এই প্রথম একজন যৌনকর্মীকে মৃত্যুর পর ইসলামিক রীতি মেনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হচ্ছে৷ মুসলিম প্রধান বাংলাদেশে যৌন ব্যবসা আইনি৷ দৌলতদিয়ার হল বাংলদেশের সবচেয়ে বড় রেডলাইট এলাকা৷ কিন্তু যৌনকর্মীদের মর্মান্তিক পরিণতিই হয় বাংলাদেশে৷

 ৬৫ বছরের যৌনকর্মী হামিদা বেগমের দেহ নদীর ধারে কিংবা ফাঁকা কোনও জায়গায় কবর দিয়ে দায় সারা হল না৷ যথাযথ মর্যাদায় ইসলামিক ধর্মীয় আচার মেনেই কবর দেওয়া হল হামিদাকে৷ হামিদার মেয়ে লক্ষ্মীর কথায়, 'আমার মা যে এ রকম ফেয়ারওয়েল পাবে, কখনওই ভাবিনি৷ মানুষের মতোই ট্রিট করা হল আমার মাকে৷' লক্ষ্মীও যৌনকর্মীর পেশাতেই রয়েছেন৷

৬৫ বছরের যৌনকর্মী হামিদা বেগমের দেহ নদীর ধারে কিংবা ফাঁকা কোনও জায়গায় কবর দিয়ে দায় সারা হল না৷ যথাযথ মর্যাদায় ইসলামিক ধর্মীয় আচার মেনেই কবর দেওয়া হল হামিদাকে৷ হামিদার মেয়ে লক্ষ্মীর কথায়, ‘আমার মা যে এ রকম ফেয়ারওয়েল পাবে, কখনওই ভাবিনি৷ মানুষের মতোই ট্রিট করা হল আমার মাকে৷’ লক্ষ্মীও যৌনকর্মীর পেশাতেই রয়েছেন৷

 ইসলাম ধর্মের গুরুরা বহু দশক ধরে যৌনকর্মীদের শেষকৃত্যে ধর্মীয় আচারের বিরোধী ছিলেন৷ তাঁদের কাছে যৌনব্যবসা কুকর্ম ও অসত্‍৷ হামিদা বেগমের মৃত্যুর পরও তাঁর পরিবার একটি পরিত্যক্ত কবরস্থানেই হামিদার দেহ কবর দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছিলেন৷ কিন্তু রুখে দাঁড়ান অন্যান্য যৌনকর্মীরা৷ তাঁরা পুলিশের কাছে অনুরোধ করেন, ইসলামিক ধর্মগুরুদের সঙ্গে আলোচনা করে হামিদাকে সাধারণ মানুষের মতোই ধর্মীয় সম্মান দেওয়া হোক৷

ইসলাম ধর্মের গুরুরা বহু দশক ধরে যৌনকর্মীদের শেষকৃত্যে ধর্মীয় আচারের বিরোধী ছিলেন৷ তাঁদের কাছে যৌনব্যবসা কুকর্ম ও অসত্‍৷ হামিদা বেগমের মৃত্যুর পরও তাঁর পরিবার একটি পরিত্যক্ত কবরস্থানেই হামিদার দেহ কবর দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছিলেন৷ কিন্তু রুখে দাঁড়ান অন্যান্য যৌনকর্মীরা৷ তাঁরা পুলিশের কাছে অনুরোধ করেন, ইসলামিক ধর্মগুরুদের সঙ্গে আলোচনা করে হামিদাকে সাধারণ মানুষের মতোই ধর্মীয় সম্মান দেওয়া হোক৷

 স্থানীয় পুলিশ কর্তা আশিকুর রহমনের কথায়, 'ইমাম প্রথমে রাজি হননি৷ কিন্তু আমরা অনেক অনুরোধ করি৷ বশেষে উনি রাজি হন৷' মাত্র ১২ বছর বয়সে দৌলতদিয়ায় যৌনব্যবসায় নামেন হামিদা৷ এই দৌলতদিয়ায় প্রায় ১২০০ মহিলা যৌনকর্মী রয়েছেন৷ রোজ ৫ হাজার গ্রাহকের যাতায়াত৷

স্থানীয় পুলিশ কর্তা আশিকুর রহমনের কথায়, ‘ইমাম প্রথমে রাজি হননি৷ কিন্তু আমরা অনেক অনুরোধ করি৷ বশেষে উনি রাজি হন৷’ মাত্র ১২ বছর বয়সে দৌলতদিয়ায় যৌনব্যবসায় নামেন হামিদা৷ এই দৌলতদিয়ায় প্রায় ১২০০ মহিলা যৌনকর্মী রয়েছেন৷ রোজ ৫ হাজার গ্রাহকের যাতায়াত৷

 ঢাকা থেকে ১০০ কিমি দূরে৷ ব্রিটিশ আমলে এই বেশ্যালয় তৈরি হয়েছিল৷ স্থানীয়রা ১৯৮৮ সালে পুরনো কমপ্লেক্সটি আগুন জ্বালিয়ে দেয়৷ পরে তা পদ্মা নদীর ধারে ফেরি স্টেশনের কাছে চলে যায়৷

ঢাকা থেকে ১০০ কিমি দূরে৷ ব্রিটিশ আমলে এই বেশ্যালয় তৈরি হয়েছিল৷ স্থানীয়রা ১৯৮৮ সালে পুরনো কমপ্লেক্সটি আগুন জ্বালিয়ে দেয়৷ পরে তা পদ্মা নদীর ধারে ফেরি স্টেশনের কাছে চলে যায়৷

 যৌনকর্মীদের মৃত্যুর পরে এতদিন পদ্মার ধারেই ফেলে দেওয়া হত দেহ৷ কুকুরে ছিঁড়ে খেত৷ ২০০০ সালে একটি পরিত্যক্ত কবর স্থান তৈরি করা হয়৷ পরে রাতের অন্ধকারে সেখানেই কবর দেওয়া হত দেহ৷ দৌলতদিয়ার যৌনকর্মী সংগঠনের প্রধান ঝুমুর বেগমের কথায়, 'আমরা সকালে কাউকে কবর দিতে চাইলে, গ্রামবাসীরা আমাদের বাঁশ নিয়ে তাড়া করত৷ যেন কোনও কুকুর মারা গিয়েছে৷ হামিদা বেগমের শেষকৃত্য সেই দিনেরই বোধ হয় অবসান ঘটাল৷'

যৌনকর্মীদের মৃত্যুর পরে এতদিন পদ্মার ধারেই ফেলে দেওয়া হত দেহ৷ কুকুরে ছিঁড়ে খেত৷ ২০০০ সালে একটি পরিত্যক্ত কবর স্থান তৈরি করা হয়৷ পরে রাতের অন্ধকারে সেখানেই কবর দেওয়া হত দেহ৷ দৌলতদিয়ার যৌনকর্মী সংগঠনের প্রধান ঝুমুর বেগমের কথায়, ‘আমরা সকালে কাউকে কবর দিতে চাইলে, গ্রামবাসীরা আমাদের বাঁশ নিয়ে তাড়া করত৷ যেন কোনও কুকুর মারা গিয়েছে৷ হামিদা বেগমের শেষকৃত্য সেই দিনেরই বোধ হয় অবসান ঘটাল৷’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here